সাত কলেজের প্রথম কলেজ হলঃ ঢাকা কলেজ
ঢাকা কলেজ বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটি ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। এই কলেজটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত । ১৮৪১ খ্রিষ্টাব্দের ২০ই নভেম্বর তারিখে উপমহাদেশের প্রথম আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেব ঢাকা কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
বর্তমান ঢাকা কলেজে যেসব বিভাগ সমূহ রয়েছে তা হলোঃ
১।ব্যবস্থাপনা ২।হিসাববিজ্ঞান। ৩।প্রাণীবিজ্ঞান ৪। রসায়ন ৫। গণিত ৬। পদার্থবিজ্ঞান ৭। ইতিহাস ৮। রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৯। ইসলামের ইতিহাস ১০। সমাজবিজ্ঞান ১১। মনোবিজ্ঞান ১২।বাংলা ১৩। পরিসংখ্যান ১৪।ইংরেজি ১৫। উদ্ভিদবিজ্ঞান ১৬।অর্থনীতি ১৭।ইসলামিক স্টাডিজ ১৮। ভূগোল ও পরিবেশবিজ্ঞান ১৯। দর্শন।
আবাসিক হলসমূহ
ঢাকা কলেজ এ বর্তমানে রয়েছে ৮টি ছাত্রাবাস। ছাত্রাবাস গুলো হলঃ
১. উত্তর ছাত্রাবাস
২. দক্ষিণ ছাত্রাবাস
৩. পশ্চিম ছাত্রাবাস
৪. আন্তর্জাতিক ছাত্রাবাস
৫. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ছাত্রাবাস
৬. শহীদ ফরহাদ হোসেন ছাত্রাবাস
৭. দক্ষিণায়ন ছাত্রাবাস
৮. শেখ কামাল ছাত্রাবাস।
ইডেন মহিলা কলেজ
ইডেন মহিলা কলেজ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরে অবস্থিত একটি মহিলা কলেজ। সচরাচর একে ইডেন কলেজ বলা হয়। এটি ঢাকার আজিমপুর এলাকায় অবস্থিত। এই কলেজটি প্রাচীন, ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত। এটি তৎকালীন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সী বা বাংলা প্রদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য প্রথম মহিলা কলেজ। এই কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত।
বর্তমান ইডেন মহিলা কলেজ যেসব বিভাগ সমূহ রয়েছে তা হলোঃ
বাংলা • ইংরেজি • ইতিহাস • ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি • ইসলামী শিক্ষা • দর্শন • সমাজবিজ্ঞান • অর্থনীতি • রাষ্ট্রবিজ্ঞান • সমাজকর্ম
পদার্থবিজ্ঞান • রসায়ন • গণিত • উদ্ভিদবিজ্ঞান • প্রাণীবিজ্ঞান • ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা • মনোবিজ্ঞান • গার্হস্থ্য্য বিজ্ঞান • হিসাববিজ্ঞান • ব্যবস্থাপনা • মার্কেটিং • ফাইনান্স ও ব্যাংকিং
এই কলেজে মোট ছাত্রীনিবাস আছে ৬ টি।
খোদেজা খাতুন, জেবুন্নেসা হোস্টেল, রাজিয়া বেগম ছাত্রী নিবাস, হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) ছাত্রী নিবাস, হাসনা বেগম ছাত্রী নিবাস, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা হল
এই কলেজে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি লাইব্রেরী রয়েছে। লাইব্রেরিতে ৪৪,৮৩৫ টি বই ও ২০০০ টি জার্নাল রয়েছে। লাইব্রেরীটি কলেজ প্রাঙ্গনে ৪ নং ভবনে অবস্থিত। লাইব্রেরীতে বসে বই পড়ার জন্য শিক্ষার্থীদের লাইব্রেরী কার্ড সংগ্রহ করতে হয়। লাইব্রেরী থেকে বই বাসায় নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
ছাত্রীদের চিকিৎসা প্রদানে কলেজ প্রাঙ্গনে একটি চিকিৎসা কেন্দ্র রয়েছে। এই চিকিৎসা কেন্দ্রকে সার্বিক সহযোগিতা করছে একটি ঔষধ কোম্পানী। এখানে দু’জন মনোচিকিৎসক সহ মোট তিনজন ডাক্তার রয়েছে।
কবি নজরুল সরকারি কলেজ
সরকারি কবি নজরুল কলেজ হিসেবেও পরিচিত, বাংলাদেশের একটি প্রাচীনতম শীর্ষস্থানীয় ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানটি ১৮৭৪ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে। ১৯৯২ সাল থেকে এর বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ছিল। এই কলেজটি ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়।
কবি নজরুল সরকারি কলেজে যেসব বিভাগ রয়েছে তাহলঃ
বাংলা , ইংরেজী , অর্থনীতি , রাষ্ট্রবিজ্ঞান , ইতিহাস , ইসলামের ইতিহাস এবং সংস্কৃতি , দর্শনশাস্ত্র , সমাজবিজ্ঞান , আরবি সাহিত্য , পালি , সংস্কৃত , পদার্থবিজ্ঞান , রসায়ন , উদ্ভিদবিজ্ঞান , প্রাণিবিজ্ঞান , স্থিতিবিদ্যা , গণিত , ভূগোল , মনোবিজ্ঞান , কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল , হিসাববিজ্ঞান , ব্যবস্থাপনা
তাছাডাও চিকিৎসা প্রদানের জন্য কলেজ প্রাঙ্গনে একটি চিকিৎসা কেন্দ্র রয়েছে। এটি শুধুমাত্র কলেজের ছাত্রছাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত।
সরকারী তিতুমীর কলেজ
সরকারি তিতুমীর কলেজ বাংলাদেশের ঢাকা শহরে অবস্থিত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই কলেজটি ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় কলেজটি জিন্নাহ কলেজ নামে পরিচিত ছিল। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর কলেজটির নাম পরিবর্তন করে তিতুমীর কলেজ রাখা হয়। কলেজটি ঢাকা শহরের বনানী থানার অন্তর্ভূক্ত মহাখালী এলাকায় অবস্থিত। প্রতিষ্ঠার সময় কলেজটিতে শুধুমাত্র উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণীতে ক্লাস নেয়া হত, তবে বর্তমানে এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক সম্মান এবং স্নাতোকত্তর শ্রেণীর শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে
এখানে যেসকল বিভাগ ও অনুষদ চালু রয়েছে তা হলঃ
বিজ্ঞান অনুষদ:
পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, প্রাণিবিজ্ঞান, উদ্ভিদ বিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, ভূগোল ও পরিবেশ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি)
বাণিজ্য অনুষদ:
হিসাব বিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং
কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদ:
বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, দর্শন, সমাজ বিজ্ঞান, ইসলাম শিক্ষা, সমাজকর্ম, ইসলামের ইতিহাস ও সংকৃতি, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান
তিতুমীর কলেজে প্রতিটি অনুষদের নিজস্ব গ্রন্থাগার বা লাইব্রেরী রয়েছে। এখানে ১৭০০০ বই সংগ্রহে রয়েছে। গ্রন্থাগারটির অবস্থান বিজ্ঞান ভবনের নিচতলায়।
কলেজটির ছাত্র-ছাত্রীর জন্য তিনটি আবাসিক হল রয়েছে; এগুলো হলোঃ
আক্কাছুর রহমান আঁখি ছাত্রাবাস।
সুফিয়া কামাল ছাত্রী নিবাস।
সিরাজ ছাত্রী নিবাস।
সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ
সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ঢাকার লক্ষ্মীবাজার পুরনো ঢাকাতে , বাংলাদেশের একটি সরকারী কলেজ । এই কলেজটি উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক, ও স্নাতকোত্তর পড়ানো হয় । ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ থেকে কলেজটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত হয় ।এই কলেজটি ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।বর্তমানে একাদশ শ্রেণিতে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে পাঠদানের পাশাপাশি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কোর্স পড়ানো হয়
শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে নিম্নলিখিত বিভাগের জন্য গঠিত:
বাংলা ,ইংরেজী , অর্থনীতি , রাষ্ট্রবিজ্ঞান , ইতিহাস , ইসলামের ইতিহাস এবং সংস্কৃতি , দর্শনশাস্ত্র , সমাজবিজ্ঞান , পদার্থবিজ্ঞান , রসায়নবিজ্ঞান , উদ্ভিদবিজ্ঞান , প্রাণিবিজ্ঞান , মৃত্তিকাবিজ্ঞান , গণিত , ভূগোল ও পরিবেশ , হিসাববিজ্ঞান , ব্যবস্থাপনা , মার্কেটিং , ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগ
কলেজটিতে রয়েছে একটি লাইব্রেরী। কলেজের লাইব্রেরীটি পশ্চিম পাশের বিল্ডিং এর নীচ তলায় অবস্থিত। এখানে পাঠ্যবই, গল্পের বই, উপন্যাসের বই রয়েছে। কলেজের শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র দেখিয়ে বই বাসায় নিয়ে যেতে পারে। লাইব্রেরীতে বসার জন্য সাধারণ কাঠের বেঞ্চ ও টেবিল রয়েছে।
বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ
১৯৪০ সালে এই কলেজটি ইডেন স্কুল ও কলেজ নামে স্থাপিত হয়েছিল। ১৯৪৮ সালে এটি সাত নম্বর বকশি বাজারে স্থানান্তরিত হয় এবং তখন থেকেই কলেজটি প্রথম সরকারি কলেজ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত কলেজটি ইডেন কলেজ নামে পরিচিতি পায় | ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বেগম বদরুন্নেসার মৃত্যুর পর তার নামানুসারে কলেজটির পুনরায় নামকরণ করা হয় বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ
এই কলেজটির বিভাগসমূহ হলোঃ
বাংলা, ইংরেজি, সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, গার্হস্থ , অর্থনীতি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, সমাজকর্ম, ব্যবসায় শিক্ষা, অ্যাকাউন্টিং, ফিন্যান্স, ম্যানাজমেন্ট, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, পরিসংখ্যান, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণিবিজ্ঞান
বাঙলা কলেজ
সরকারি বাঙলা কলেজ বাংলাদেশের ঢাকা শহরে অবস্থিত একটি সরকারি কলেজ যা ১৯৬২ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষায় কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষাকে মাধ্যম হিসেবে পরিচয় করার চাহিদা থেকে প্রিন্সিপাল আবুল কাসেম এই কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। তবে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ খ্রিঃ হতে কলেজটির স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কোর্স ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর অধিভুক্ত করা হয়।
সরকারি বাঙলা কলেজের যেসব বিভাগ রয়েছে তাহলঃ
রসায়ন , পদার্থবিজ্ঞান , গণিত , মৃত্তিকাবিজ্ঞান , প্রাণিবিজ্ঞান , উদ্ভিদবিজ্ঞান, ইংরেজি , বাংলা , রাষ্ট্রবিজ্ঞান , সমাজকর্ম , ইতিহাস , দর্শন , ইসলামিক স্টাডিজ, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি , হিসাববিজ্ঞান , ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং , অর্থনীতি , মার্কেটিং , ব্যবস্থাপনা বিভাগ
বর্তমানে কলেজটিতে আবাসিক ভাবে থাকার জন্য শুধুমাত্র ছাত্রদের জন্য "প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম হল" নামের একটি হল আছে। সম্প্রতি সময়ে সরকারি অনুদানে আরেকটি হল তৈরির কাজ চলমান রয়েছে।
এই হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজ। সাত কলেজ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানার জন্য প্রত্যেকটি কলেজের ওয়েবসাইটের ঠিকানা ডেছক্রিবশনে দেওয়া আছে। আপনি চাইলে দেখে নিতে পারেন।
এবার দেখি সাত কলেজ এবং তার শিক্ষার্থীরা কি কি সুবিধা পাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেঃ
** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বর্তমানে ১০৪টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে আছে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল, টেক্সটাইল এবং গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ। ১০৪টি কলেজের মতোই চলবে সম্প্রতি যুক্ত হওয়া অধিভুক্ত সাত কলেজ। অধিভুক্ত অন্যান্য কলেজের মতো নতুন সংযোজিত সাতটি কলেজের শিক্ষার্থীরা পাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট। তবে সার্টিফিকেটে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে অধিভুক্ত স্ব-স্ব কলেজের ও বিভাগের নাম। সাধারণত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেটে হল ও বিভাগের নাম উল্লেখ থাকে।
অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের কোনোভাবেই নিজেদের ঢাবির শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দেয়ার সুযোগ নেই।
অধিভুক্ত কলেজগুলোর পাঠ্যক্রম তৈরি করে দেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষার দিন-তারিখ নির্ধারিত হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন থেকে। তবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে স্ব-স্ব কলেজে। ফলাফল প্রণয়নও হবে প্রশাসনিক ভবন থেকে। ঢাবির অধিভুক্ত অন্যান্য কলেজের মতো পৃথক ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অধিভুক্ত কলেজগুলোতে ভর্তি হতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। তবে এটি কোনোভাবেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা বলে গণ্য হবে না।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, সাতটি কলেজ ঢাবির অধিভুক্ত অন্যান্য কলেজের মতো শুধু প্রশাসনিক সুবিধা পাবে। ওইসব কলেজে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সহযোগিতা করবে। এটি কোনোভাবেই ঢাবির অন্তর্ভুক্ত নয়।**
এই ছিল সাত কলেজ সম্পর্কিত তথ্য।
Related Tags: 7 college under dhaka university, 7 college admission, 7 college, dhaka college, du 7 college suggestions, du affiliated college, eden mohila college, dhaka university, kabi nazrul college, du affiliated 7 college, how to appy for 7 college, ঢাবি ৭ কলেজে, 7 college admission 2019-20, 7 college admission system, 7 college information, 7 college 2019-20, 7 college exam suggestion, information about the admission of 7 colleges affiliated to dhaka university, ict point, under dhaka university, government titumir college, under du, 7 college under du, 7 college apply date, ৭ কলেজের পরীক্ষার তারিখ, অধিভুক্ত ৭ কলেজের অনলাইনে আবেদন, 7college 2018-19, affiliated to dhaka university, admission of 7 colleges affiliated to dhaka university, আবেদনের যোগ্যতা, ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন, ৭ কলেজ লিস্ট, কীভাবে আবেদন করবো ৭ কলেজে, seven colleges under dhaka university, admission, ৭ কলেজ, ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজ, ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজ ভর্তি তথ্য, ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের নাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ৭ কলেজের নাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের নাম, ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের ভর্তির নিয়ম, সাত কলেজের রেজাল্ট, সাত কলেজের ওয়েবসাইট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি